নোটিস:

এই থিমটি যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই ডাউনলোড করে নিবেন এবং ভাল লাগলে কমেন্ট ও লাইক করবেন

সম্প্রতিক পোস্ট সমূহ

আরো কিছু পোস্ট দেখুন

বুধবার, ৫ জুন, ২০১৩

মনমাতানো ১০টি ফেসবুক কভার ছবি নিয়ে নিন।


বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। বন্ধুরা আজ আমি নিয়ে এলাম ফেসবুক এর মোনমাতান কিছু কভার পেজ নিয়ে। আমি মাত্র ১০টা কভারপেজ নিয়ে এলাম আমার কাছে ভাল লাগা। এগুলো আপনারা ও দেখতে পারেন। আশা করি ভাল লাগবে। এগুলো একসাথে ডাউনলোড করে নিতে ক্লিক করুন এখানে (পাসওয়ার্ড দিনঃ projuktirkhela)  এটি rar  ফাইল এটিকে খুলতে আপনার RAR      সফটওয়্যারটি লাগবে। এটি ডাউনলোড করে নিন।

USB Disk Security 6.2.0.18 Full ডাউনলোড করে নিন


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন আমার প্রযুক্তির খেলার বন্ধুরা? আশা করি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছেন? আপনাদের অনেক অনেক দোয়ায় আমিও অনেক ভাল আছি। বন্ধুরা আমি আজ আসলাম একটি নতুন Anti-Virus।    নিয়ে। আশা রাখি আপাদের সবার খুবই পরিচিত এবং পছন্দের। বন্ধুরা আমি আজ আপনাদের কাছে এটি শেয়ার করার জন্য বসলাম।
এটি খুবই ভাল বলতে ১০০% কাজ করে। এটি আপনার কম্পিউটারে সংযোগ দিতে না দিতেই এটি তার নিজের ইচ্ছায় সাথে সাথে PenDrive  কে Scan  করে নেয় এবং ভাইরাস পেলে তা সাথে সাথে ডিলেট করার জন্য আপনাকে একটি Option  দিবো। আপনি ইচ্ছা করলে তা ডিলিট করতে পারবেন।
চালানোর জন্য কি কি দরকারঃ
100MHz Processor or more, 16MB RAM or more. The operating system should be Windows 95, Windows 98, Windows 2000, Windows XP, Windows NT 4.0, Windows ME, or Vista. 
Download Link
Download Password: projuktirkhela

কী থাকে ডেটা সেন্টারে ? আসুন জানে নেই

ডেটা সেন্টার শব্দটা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। শব্দটা শুনে মনে যে দৃশ্যটা ভেসে ওঠে তা হচ্ছে, একটি বিশাল ঘরে অনেকগুলো বড় বড় কম্পিউটার বা সার্ভার। দৃশ্যটা সত্য, তবে পুরোপুরি নয়। 

ডেটা সেন্টারে যে শুধু সার্ভার থাকে তা নয়, বরং আনুসঙ্গিক আরো অনেক কিছু থাকতে হয়। যেমন:

১. সার্ভার যে রাখবেন, তার জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজন। ডেটা সেন্টারে অবশ্যই নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে হবে। সে জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থাসহ পর্যাপ্ত ক্ষমতার ইউপিএস ও ব্যাটারি ব্যাংক রাখতে হবে। তাছাড়া কোন ইউপিএস কাজ না করলে যেন সার্ভারের কাজের ব্যাঘাত না ঘটিয়েই অন্য ইউপিএস থেকে বিদ্যুত পাওয়া যায়, তার ব্যবস্থাও রাখা হয়।

২. ডেটা সেন্টারের তাপমাত্রা এবং আদ্রতা নিয়ন্ত্রিত রাখার জন্য বিশেষ ধরণের এসির ব্যবস্থা করতে হয়।

৩. সার্ভারগুলোর সাথে যোগাযোগের জন্য সেখানে থাকে নানা ধরণের নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতি। শুধু যোগাযোগ করলেই হবে না, কেউ যেন আপনার ডেটার সর্বনাশ না করতে পারে সে জন্য নানা প্রকারের প্রতিরক্ষাও প্রয়োজন। তার জন্যও প্রয়োজন ফায়ারওয়াল নামের আলাদা যন্ত্রপাতির। তাছাড়া নেটওয়ার্ক মনিটরিং এর জন্যও পৃথক ব্যবস্থা থাকে। 

৪. বিদ্যুতের তার, নেটওয়ার্কের তার ইত্যাদির আধিক্য ডেটা সেন্টারে থাকাটাই স্বাভাবিক। সেগুলোকে নানা উপায়ে গুছিয়ে রাখা হয়। ডেটা সেন্টারে সাধারণত: ফলস ফ্লোরের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে, যার ভিতরে এসব তার লুকানো থাকে। 

৫. ভূমিকম্প বা অগ্নিকান্ডে যাতে ডেটা সেন্টারের কোন ক্ষতি না হয়, সেভাবে ডেটা সেন্টারের বিল্ডিং তৈরী করা হয়। সংশ্লিষ্ট কক্ষগুলোতেও নেয়া হয় বিশেষ ব্যবস্থা। যেমন আগুন ধরলেই যাতে স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপন গ্যাস নির্গত হয় তার ব্যবস্থা রাখা হয়।

৬. ডেটা সেন্টারের সাথে বহির্বিশ্বের যোগাযোগের জন্য প্রয়োজন উচ্চ ব্যান্ডউইথ এর ডেটা সংযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই এটি ইন্টারনেট সংযোগ। পর্যাপ্ত ব্যান্ডউইথের ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে ডেটা সেন্টারের উদ্দেশ্যই ব্যহত হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাক-আপের ব্যবস্থাও থাকতে হবে, যেন একটি সংযোগে সমস্যা হলে অন্য সংযোগটি কার্যকর থাকে।

৭. ডেটা সেন্টারের নিরাপত্তার বিষয়টিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট ভবন বা কক্ষে যেন অননুমোদিত কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকে, ক্লোসড সার্কিট ক্যামেরা থাকে।

৮. ডেটা সেন্টারের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে সার্ভার। ধীরে ধীরে সার্ভারের আকারও ছোট হয়ে আসছে। এখন সাধারণত: দুই ধরনের সার্ভার পাওয়া যায় - র‌্যাক মাউন্টেড এবং ব্লেড সার্ভার। র‌্যাক মাউন্টেড সার্ভারগুলো স্টীলের র‌্যাক বা তাকে সাজিয়ে রাখা যায়। ব্লেড সার্ভারে জায়গা- যেমন অনেক কম লাগে তেমনি বিদ্যুতের চাহিদাও থাকে কম। আমি এটি পড়েছিলাম একটি ম্যাগাজিন থেকে।☺

ব্লগার কালার কোডটুল ব্যবহার করুন ভিজিটরদের জন্য

অনেক দিন যাবত লিখালিখি করি নাই তাই আজ লিখতে ইচ্ছে করলো এবং খুজে পাচ্ছিলাম না কি নিয়ে লিখব। তারপর আমার নিজের একটা কষ্টের কথা মনে পরে গেলো আমি আমার ব্লগের জন্য এই টুলটা অনেক খুজে ছিলাম তাই যাতে আপনাদের খুজতে না হয় তাই শেয়ার করলাম।
আসুন দেখি কিভাবে আপনার ব্লগে ব্লগার কালার কোড টুলস ব্যবহার করতে পারি। আমরা যারা ব্লগিং করি তাদের সবাই কালার কোড এর ব্যবহার করতে হয়। এই রকম অনেক ভিজিটর আছে যারা কাজ করার সময় কালার কোড এর দরকার হলে গুগল বা অন্য কোন সাইট থেকে সার্চ করে এর কালার কোড এর টুলস খুজে বের করে এবং তার কোড সে খুজে নেয়। আপনার ব্লগটি যদি ব্লগার বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট নিয়ে তৈরী তাহলে আপনি আপনার ভিজিটদের সুবিদার্থে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। নিচে এর ছবি দেখে নিন অথবা লাইভ ডেমো দেখে নিন আপনার জানার ইচ্ছে থাকলে বা দেখতে ইচ্ছে করলে। 
আপনার যদি এই কালার কোড টুলটি ভাল লেগে থাকে বা আপনি যদি এটি আপনার ব্লগে ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি নিচের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। ব্লগারে ব্যবহারের জন্যঃ
  • প্রথেমেই আপনার ব্লগে প্রবেশ করুন
  • তারপর ব্লগে একটি নতুন পেজ খুলুন
  • এবং সেই পেজে কিছু না লিখে সরাসরি html এ চলে যান
  • সেখানে গিয়ে নিচের কোড গুলো কপি করে আপনার পেজে পোস্ট করুন

  • এবার সেভ করে দিন।
এই ভাবে আপনার এই কালার কোড টুল ব্যবহার করে ব্লগারদের সাহায্য করে নিজের ব্লগে কিছু ভিজিটর বারাতে পারেন।
ওয়ার্ডপ্রেসে ব্যবহারের জন্যঃ
  • প্রথেমই আপনার ওয়ার্ডপ্রেসে প্রবেশ করুন
  • তারপর Add a New Page  এ ক্লিক করে নতুন একটি পেজ খুলুন
  • এবং সেই পেজে কিছু না লিখে সরাসরি html  এ ক্লিক করেন
  • সেখানে নিচের কোডটি কপি করে পোস্ট করুন

  • এবার পেজটি পাবলিস্ট করে দিন।
ভাল লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন আমার খারাপ লাগবে।
আপনার কাছে এই টুলটি ভাল লাগলে বা এই টিউটিরিয়ালটি ভাল লাগলে অবশ্যই জানাবেন এবং কোন প্রকার সমস্যা হলে আমাকে ফেসবুক এ বলবেন। 



Copyright @ 2013 WebMag. Designed by Projuktirkhela